"দুর্নীতির টাকা নিয়ে আপেক্ষিক হয়" এই বক্তব্যের আলোচনা করেছেন ইসলামী আন্দোলনের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম, যা বর্তমান সরকারের আপেক্ষিক দুর্নীতির সাথে সম্পর্কিত। তাঁর দাবি ছিল, বর্তমান সরকার সাধারণ জনগণের কাঙ্ক্ষা এবং যত্নের সাথে পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেয় না। তার মতে, এই সরকার ক্ষমতা থেকে "নামিয়ে" যাবে এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে জাতীয় সরকারের আওতাধীন নির্বাচন করবে।

চরমোনাইয়ের পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম জাতীয় মসজিদ বা
য়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে সার্বজনীন সমাবেশে এই মন্তব্য করেন। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ও যুব আন্দোলনের যৌথ সমাবেশে এই ঘটনাটি সাজানো হয়।

সৈয়দ রেজাউল করিম আরও বলেন, "আমরা নিশ্চুপ বসে থাকলে, আমাদের জন্মভূমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আপেক্ষিক হতে পারে, আমাদের ইসলাম ধ্বংস হতে পারে।" তার প্রতিরোধের দায়বদ্ধ থাকার মন্তব্য দিয়ে তিনি বলেন, বাঘ যখন জঙ্গলে হুংকার দেয়, সেখানে আর কেউ নেই, তবে দুর্বল প্রাণীগুলি বাঘের সাথে সম্মিলিত হয় এবং বাঘকে দুর্বল করতে পারে।

এই সমাবেশ এবং তার পরবর্তী কর্মসূচি সংবাদ দ্বারা ২৭ অক্টোবর সমস্ত জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ মিছিল এবং ৩ নভেম্বরে ঢাকায় একটি মহাসমাবেশের সূচনা দেওয়া হয়। সৈয়দ রেজাউল করিমের দাবিগুলি মধ্যে আছে, সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে জাতীয় সরকারে সঠিক ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি প্রবর্তন, এবং বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করা।

সমাবেশে ইসলামী আন্দোলনের সভাপতিমণ্ডলীর অন্যান্য সদস্যের মধ্যে সৈয়দ মুহাম্মদ মোসাদ্দেক, আশরাফ আলী আকন, গাজী আতাউর রহমান, ইমতিয়াজ আলম, সুলতান সালাউদ্দিন, সাইফ মাহমুদ প্রমুখ ছিলেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন। সমাবেশে উদ্বোধন করেছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি শরিফুল ইসলাম।

এই সমাবেশ এবং তার পরবর্তী কর্মসূচি জানানো হয়েছে, যেগুলি ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে সাম্প্রতিক সমাবেশে ঘোষণা করা হয়।